বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘যখন তোমার কেউ ছিল না, তখন ছিলাম আমি; এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি।’
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনের সামনে কেন্দ্রীয় নির্বাচনি অফিস উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, জনগণের সমর্থনই তাকে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও নির্বাচনে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে। তিনি বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন কিংবা মহান মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা গোষ্ঠীর নয়—সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগেই এসব আন্দোলনে গণমানুষের দাবি বিজয়ী হয়েছে। তাঁর ভাষায়, নব্বই ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানও সাধারণ মানুষের রক্তের ফসল।
তিনি আরও বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ৫ আগস্ট রাজপথে তিনি ছাড়া দলের অন্য কোনো নেতাকে দেখা যায়নি। তাই তিনি দাবি করেন, কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়—তিনি মাটির মানুষের প্রার্থী।
সমাবেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা কিছুদিন আগেও রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তারাই এখন তার নেতাকর্মীদের মামলা ও হুমকি দিচ্ছেন। এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, অতীতে শক্তিশালী প্রশাসনকেও তিনি ভয় পাননি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিশ্রুতি সুষ্ঠু নির্বাচন—এমন পরিস্থিতিতে ব্যালট কারচুপির সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-2 আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষ থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের এক নেতাকে প্রার্থী করা হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।







