ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় একজন নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানের খবর পেয়ে বর ও কাজি বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে গেলেও বর ও কনের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের দক্ষিণখার গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছামিউল ইসলাম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দক্ষিণখার গ্রামের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কন্যা শিক্ষার্থীর সঙ্গে আখাউড়া উপজেলার ধাতুরপহেলা গ্রামের ইকরাম হোসেন নামের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন করা হয়। বিয়ের সব ধরনের আয়োজনই সম্পন্ন ছিল।
এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের খবর পেয়ে বর ইকরাম হোসেন এবং বিয়ের কাজি বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে যান। তবে তাদের পরিবারের কেউ বিয়ে থেকে পালাতে পারেনি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত বিয়েটি বন্ধ করে দেয় এবং বর ও কনের পরিবারকে শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের জন্য ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করে। এছাড়া, মেয়েটি সাবালিকা না হওয়া পর্যন্ত তাকে যেন আর কখনো বিয়ের পিঁড়িতে বসানো না হয়, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয় উভয় পরিবারকে।
ইউএনও মো. ছামিউল ইসলাম স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে (মেম্বার)নির্দেশন দেন যাতে মেয়েটির বয়স না হওয়া পর্যন্ত তার বিয়ে না দেওয়া হয় এবং এই বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়।
গত বছরেও জেলা থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ১৮টি বিয়ে বন্ধ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শিশু সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশুর বিয়ে দেওয়া একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।








