নবীনগর:
সহকারী শিক্ষকদের তিন দফা ন্যায্য দাবি আদায়ের জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নবীনগর উপজেলায় ২৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করতে উপজেলার মোট ১১টি ক্লাস্টার ভিত্তিক প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমে যোগাযোগ জোরদার করতে মিডিয়া ও তথ্য-সমন্বয় উপকমিটিতে অতিরিক্ত ১০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত নবীনগরের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা পরীক্ষাসহ সকল কার্যক্রম বর্জন করে পূর্ণদিবস কর্মবিরতিতে থাকবেন। দাবি আদায়ের আন্দোলন সফল করতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে, নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ ১ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বরাবর সামাজিক মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি শেয়ার করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত ৮ নভেম্বর ঢাকার শাহবাগে ‘কলম সমর্পণ’ কর্মসূচির সময় পুলিশের জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড হামলায় বহু শিক্ষক আহত হন এবং একজন নারী শিক্ষিকা মৃত্যুবরণ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে ১০–১১ নভেম্বর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যস্থতায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেড প্রদানে নীতিগত সম্মতি জানানো হয় এবং মন্ত্রণালয় একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু এখনো প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় দেশব্যাপী সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন এবং তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন বর্জন কর্মসূচিও বহাল রয়েছে।
স্মারকলিপিতে দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের অনুরোধ জানিয়ে বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সহযোগিতা কামনা করা হয়









