ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর এলাকায় দীর্ঘ ১৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে বেদখল হওয়া জমি তার প্রকৃত মালিক মৃত জুরু মিয়ার পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের নির্দেশে জেলা নাজির মো. আওলাদ হোসেনের উপস্থিতিতে এই দখল হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশ অনুযায়ী, তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তোফা মিয়ার দখলে থাকা ১০টি দাগে মোট ৪৯.৭৫ শতাংশ জমি জুরু মিয়ার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জমি ফিরে পেয়ে জুরু মিয়ার স্ত্রী জাহানারা বেগম, ছেলে হান্নান মিয়া, মান্নান মিয়া, সুমন এবং মেয়ে রেখা বেগম আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
হান্নান মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এই মামলা চালিয়ে গেছেন। তিনি বেশ কয়েকবার মামলায় জিতলেও বিবাদী পক্ষ বারবার আপিল করে। আজ ১৯ বছর পর আদালত আমাদের জায়গা বুঝিয়ে দিলেন, আমরা খুবই খুশি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, আমার বাবা এই দিনটি দেখে যেতে পারলেন না।’
এসময় জেলা সিভিল কোর্ট কমিশনার শিশির কুমার সিংহ এবং সরাইল থানার উপ-পরিদর্শক নুরুন নবীসহ একদল পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। জেলা নাজির আওলাদ হোসেন জানান, আদালতের মোকদ্দমা নং ৩/২০০৪ এর দখল কার্যক্রম অনুযায়ী নালিশের ভূমিতে লাল নিশানা গেঁথে ডিক্রিদার পক্ষকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তারা দখলনামা কাগজে স্বাক্ষর করেছেন।








