নির্বাচন কমিশন ভবনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নিয়ে শুনানি চলাকালে বিএনপি ও ন্যাশনালিস্ট কনজারভেটিভ পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এনসিপির তিন নেতা আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এনসিপির যুগ্ম মুখ্য-সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন অভিযোগ করেন, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা উপস্থিত থেকে তার অনুসারীদের দিয়ে এনসিপি সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহসহ কয়েকজন নেতাকে মারধর করান।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রুমিন ফারহানা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমি কোনো গুন্ডা নিয়ে আসিনি। তারা (এনসিপি) গুণ্ডা নিয়ে এসেছেন। আমাকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে, সুতরাং আমার লোকজনও জবাব দিয়েছে। বিষয়টি একেবারেই সিম্পল।” তিনি আরও দাবি করেন, “গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ যে কাজ করতে সাহস করেনি, আজ এনসিপি তা করেছে। এ ঘটনায় আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে বিচার চাই।”
অন্যদিকে, এনসিপির নেতা প্রকৌশলী আমিনুল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানার অনুসারীরা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সামনেই তাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের অপরাধ শুধু এটুকুই— আমরা দাবি নিয়ে ইসিতে এসেছিলাম। এর ফলেই আমাদের পেটানো হয়েছে।”
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের উপস্থিতিতে দুপুর ১২টার দিকে শুনানি শুরু হয়। ওই সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি ও উচ্চবাক্য বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এনসিপির দাবি, এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন—প্রকৌশলী আমিনুল হক চৌধুরী, মুস্তফা সুমন ও আতাউল্লাহ।








