বিএনপি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মেধাবী ও তরুণদের প্রাধান্য দেবে বলে জানিয়েছে। জনআকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি ক্লিন ইমেজসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দলের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে, এবার প্রতিটি আসনে একাধিক প্রার্থীর পরিবর্তে ‘একক প্রার্থী’ মনোনয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, মেধা, এবং আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের ভূমিকা—এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ হবে মেধাবীদের পাঠশালা। আমরা শুধু পুরোনো রাজনৈতিক নেতাদের ওপর নির্ভরশীল হতে চাই না। বিভিন্ন পেশা থেকে উঠে আসা যোগ্য ও মেধাবী তরুণদেরও রাজনীতিতে যুক্ত করতে চাই।”
দলের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরপরই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত পার্লামেন্টারি বোর্ড চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। এর আগে, তারেক রহমান তার নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরিচালিত একাধিক জরিপের ফল পর্যালোচনা করে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছেন।
পুরোনো ও বিতর্কিত নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্বকে সামনে আনার এই কৌশল বিএনপির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এতে দলের ভেতর থেকে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি জনগণের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে অন্তত দুই ডজন পুরোনো নেতা বাদ পড়তে পারেন এবং শতাধিক আসনে তরুণ প্রার্থীরা সুযোগ পেতে পারেন।








