নবীনগর উপজেলায় পুলিশ হেফাজতে আব্দুল্লাহ (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার ও সাময়িক বহিষ্কার করার পাশাপাশি চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা পুলিশ এই কমিটি গঠন করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ওবায়দুর রহমানকে প্রধান এবং জেলা পুলিশের (ডিএসবি) পরিদর্শক মাহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে কমিটিটি গঠিত হয়েছে।
জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) এহতেশামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত এসআই মহিমউদ্দিনকে সাময়িক বহিষ্কার ও গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এসপি আরও বলেন, ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামে ৫ লাখ টাকা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত। সন্দেহভাজন হিসেবে সলিমগঞ্জ বাজার থেকে পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার যুবক আব্দুল্লাহকে আটক করে বাড়াইল গ্রামের লোকজন। তারা যুবকটিকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় সলিমগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফাঁড়িতে সোপর্দ করার পর পুলিশ অজ্ঞাত কারণে আব্দুল্লাহকে চারদিন আটকে রেখে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পরই দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে অভিযুক্ত এসআই মহিমউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।








