আজ ২৩ সেপ্টেম্বর, পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান। এই ঘটনাকে বলা হয় ভারনাল ইকুইনক্স। এটি একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ হলো ‘বসন্তকালীন বিষুব’। মূলত সূর্যের বিষুবরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেওয়ার কারণে এমনটা ঘটে। এর ফলে পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়ে যায়।
সাধারণত বছরের দুটি দিন, ২১ মার্চ এবং ২৩ সেপ্টেম্বর, দিন-রাত সমান থাকে। এরপর থেকে উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট হতে শুরু করে এবং রাত বড় হতে থাকে। কারণ এ সময় সূর্য উত্তর গোলার্ধ থেকে দক্ষিণ গোলার্ধের দিকে সরতে থাকে।
পৃথিবীর কক্ষপথ পুরোপুরি গোলাকার নয়, এটি কিছুটা উপবৃত্তাকার। পৃথিবী তার উল্লম্ব অক্ষ থেকে প্রায় ২৩.৫ ডিগ্রি হেলে থাকার কারণে এমনটি হয়। পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা। এই অতিরিক্ত ৬ ঘণ্টা যোগ করে প্রতি চার বছর পর পর একটি লিপ ইয়ার হয়।
দিন ও রাতের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য কেন হয়?
- গ্রীষ্মকালে: ২১ জুন বছরের সবচেয়ে দীর্ঘ দিন, কারণ এ সময় সূর্য উত্তর-পূর্ব আকাশে ওঠে এবং উত্তর-পশ্চিম আকাশে অস্ত যায়। ফলে দিনের আলো বেশি সময় ধরে থাকে এবং তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
- শীতকালে: ২১ ডিসেম্বর বছরের সবচেয়ে ছোট দিন, কারণ এ সময় সূর্য দক্ষিণ-পূর্ব আকাশে ওঠে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে অস্ত যায়। এতে দিনের দৈর্ঘ্য কমে যায় এবং তাপমাত্রা কম থাকে।
এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক ঘটনা, যা পৃথিবীর ঘূর্ণন ও সূর্যের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। এই বিষয়টি বিজ্ঞান ও প্রকৃতির এক অসাধারণ সমন্বয়।








